গরম চা এখন চাই

করোনাভাইরাস কাবু করে ফেলেছে পুরো বিশ্বকে। অথচ সেই ভাইরাসের বেশ খানিকটা দুর্বলতা কিনা সামান্য গরম পানিতে! করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে চা বা গরম পানি বেশ কার্যকর।

পৃথিবীর দুই শতাধিক দেশ করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯ ফ্লু) সংক্রমণে এখন পর্যুদস্ত। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এখনো এর কোনো প্রতিষেধক কার্যকরভাবে উদ্ভাবন করতে পারেনি। ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাবিজ্ঞান আয়ুর্বেদে বিভিন্ন রকমের ফ্লু বা শ্বাসযন্ত্রের রোগ নিরাময় পদ্ধতির উল্লেখ করা আছে। তাই করোনাভাইরাস প্রতিরোধ, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাময়ে আয়ুর্বেদ বা ভেষজ উপাদান বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করছেন অনেক চিকিৎসক। এরই মধ্যে চীন, ভারত ও শ্রীলঙ্কা ভেষজ উপাদান ব্যবহার ও নির্দেশনা অনুসরণ করে করোনা নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী হয়েছে। ভালো ফলাফলও পেয়েছে তারা।

বিষয়টি মাথায় রেখেই আয়ুর্বেদ অ্যান্ড ন্যাচারোপ্যাথি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ পরামর্শ দিচ্ছে সারা দিন উষ্ণ গরম পানি পান করার। পাশাপাশি তুলসী, দারুচিনি, আদা ও গোলমরিচ মিশ্রিত ভেষজ চা প্রতিদিন কয়েকবার পান করার কথাও তারা বলছে। এতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা সহজ হতে পারে।

আপনার পছন্দ কোন চা

অনেকেরই অভ্যাস সকালে ঘুম থেকে জেগে বিছানায় বসে চা পান করার। বাড়িতে সকালের নাশতা বা বিকেলের আড্ডাতেও চা হয়ে উঠেছে বাঙালির আপ্যায়নের বিশেষ একটি উপকরণ। অফিসে কিংবা ক্লাসের ফাঁকে চা তো পান করতেই হয়।

এখন তো বাজারে বিভিন্ন ধরনের চা পাওয়া যায়। তবে আপনি যে চা-ই খান না কেন, তা একটি উদ্ভিদ থেকেই আসে, যার বৈজ্ঞানিক নাম ক্যামেলিয়া সাইনেসিস। বিশ্বে হাজারো ধরনের চা পাওয়া যায়। কোন স্থানে জন্মাচ্ছে, বছরের কোন সময়টাতে তোলা হচ্ছে আর প্রক্রিয়াজাত করার পদ্ধতিগত ভিন্নতার ওপর নির্ভর করে সেই চা কেমন হবে। প্রতিটি এলাকার চায়ের আছে তার নিজস্ব স্বাদ ও গন্ধ। স্বাস্থ্যগত উপকারিতাও একেক ধরনের হয়ে থাকে।

চায়ে রয়েছে অনেক বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়। শুধু তা-ই নয়, চা রক্ত জমাট বাঁধতেও বাধা দেয়। লোহা শোষণের মাত্রা কমায় এই চা। এ ছাড়া চায়ে পটাশিয়াম ও জিংক তো আছেই। এখানে বলা হচ্ছে, বেশ কয়েক ধরনের চায়ের কথা। বিশ্বজুড়ে এগুলো খুবই জনপ্রিয় ও স্বাস্থ্যকর চা হিসেবে বিবেচিত।